Opinion Politics

মোহাম্মদের যত অপকর্ম

জাহেদ আহমাদ, যুক্তরাজ্য | 10 January 2026

মানব জাতির শ্রেষ্ট মানব মহানবী হযরত মোহাম্মদ এর চরিত্র ফুলের মত পবিত্র সেটাই আমরা জানি, প্রতিটি মুসলমান তাই জানে বা জন্মের পর থেকে জেনে এসেছে।প্রতিটি মুসলমান জন্মের পর জ্ঞান হওয়া থেকে শুরু করে শুনে এসেছে, মোহাম্মদ অতীব সৎ, অতীব দয়ালু, অতীব মহৎ, অতীব ন্যায় পরায়ন ইত্যাদি। এর বাইরে কখনই তারা শোনেনি যে মোহাম্মদ একজন লুটেরা/ডাকাত বা নারী লোলুপ বা কামার্ত বা খুনী বা ক্ষমতা লোভী হতে পারে।এসব হতে পারা তো দুরের কথা- এসব হওয়ার কল্পনাও কোন মুসলমান করতে পারে না, কারন যদি করে তাহলে তার জন্য জাহান্নামের কঠিন আগুন অপেক্ষা করবে। সুতরাং কার এমন বুকের পাটা যে সে আল্লাহর নবী মোহাম্মদের সম্পর্কে এমন ধারনা পোষণ করবে ? কারন কোরানের আল্লাহ আর মোহাম্মদ সে তো একই ব্যাক্তি। সুতরাং সঙ্গত কারনে এটা মনে হয় যে মোহাম্মদ সর্বপ্রথম যে বিষয়টির আশ্রয় নিয়েছেন তা হলো প্রতারনা ও মিথ্যার। অথচ ইসলামি বিশ্বে তিনি হলেন আল আমীন বা মহা সৎ লোক।তিনি সর্বপ্রথমেই যে অসত্যের আশ্রয় নিয়েছেন তা হলো নিজের বানীকে আল্লাহর বানী হিসাবে চালিয়ে দিয়ে আরবদেরকে প্রতারনা করেছেন ও তাদেরকে বোকা বানিয়েছেন

মানুষ মোহাম্মদ কেমন ছিলেন, তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কেমন ছিল তা আগে  জানা গেলে তার চরিত্র বোঝা সহজ হবে। আব্দুল্লাহর পূত্র মোহাম্মদ তাঁর জন্মের ছয়মাস আগেই তাঁর পিতাকে হারান অর্থাৎ এতিম হিসাবে তাঁর জন্ম হয়। তাঁর জন্মের কিছু পরেই হালিমা নামের এক ধাত্রী তাঁকে নিয়ে যায় দুধমাতা হিসাবে লালন পালনের জন্য। তার বয়স যখন ৬ তখন তাঁর মা আমেনা মারা যায় এবং এতিম মোহাম্মদকে তাঁর পিতামহ মুত্তালিব লালন পালন করতে থাকেন কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই মুত্তালিবও মারা যায় তখন এতিম ও অসহায় মোহাম্মদ তাঁর চাচা আবু তালিবের কাছে লালিত পালিত হতে থাকেন। তৎকালীন আরব ঐতিহ্য অনুযায়ী এতিম মোহাম্মদ উত্তরাধিকার সূত্রে কোন সম্পদের অধিকারী ছিলেন না, ফলত: একজন দীন হীন হত দরিদ্র এতিম বালক হিসাবে তিনি চাচা আবু তালিবের কাছে থাকতেন ও তার উট দুম্বা চরাতেন যার মাধ্যমে তার অন্ন বস্ত্র ও বাসস্থানের সংস্থান হতো। সহজেই বোঝা যায় যে মোহাম্মদ প্রকৃত পক্ষে কখনোই স্বাভাবিক কোন শিশুর মত আদর ভালবাসাপূর্ন পরিবেশে লালিত পালিত হন নি। আবু তালিব তাঁর চাচা কুরাইশ বংশের সম্ভ্রান্ত বংশের একজন গণ্যমান্য ব্যাক্তি হলেও ছিলেন গরীব ও তার অনেকগুলো বাচ্চা কাচ্চা ছিল, এ ধরনের জনবহুল গরীব পরিবারে একজন এতিম বালক কিভাবে নিতান্ত অবহেলায় মানুষ হতে পারে তা সহজেই অনুমান করা যায়। সুতরাং খুব ছোট বেলা থেকে অনাদর অবহেলায় লালিত পালিত মোহাম্মদের মনের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতাবোধ জন্ম নেয় যা তাকে পরে পরিণত করে প্রচন্ড একগুয়ে, এক রোখা ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মানুষে

নবী মুহাম্মদ কে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ বলে হয়। একজন ভাল মানুষের মধ্যে আমরা কী কী গুণাবলী প্রত্যাশা করি? তিনি কাউকে খুন করবেন না, কাউকে ধর্ষণ করবেন না, কারোর সম্পদ লুট করবেন না, কাউকে জোরজবরদস্তি করে কোন কাজে বাধ্য করবে না, সাম্প্রদায়িক চিন্তাভাবনা পোষণ করবে না, নারীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবেন এবং তাদের সমতা বিষয়ে সচেতন থাকবেন, সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মের মানুষকে সমমর্যাদার মানুষ হিসেবে গণ্য করবেন, এইসব। এইসব গুণাবলীর কথা বিচার বিবেচনা করলে, নবী মুহাম্মদকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ তো দুরের কথা, নিদেন পক্ষে একজন ভাল মানুষও কি বলা সম্ভব? মহানবী নিজের বাপদাদার ধর্ম ত্যাগ করেছিলেন। তাতেই থামেন নি, উনি রীতিমত সেইসব ধর্মের সমালোচনাও করতেন। স্বাভাবিকভাবেই, কাফের পৌত্তলিকগণ এতে ক্ষিপ্ত হয়েছিল। এখনো কোন মুসলিম তার ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু হয়ে গেলে, বা নাস্তিক হয়ে গেলে, তার জীবন বাঁচানো মুশকিল হয়ে যায়। মহানবীর সাথেও নিশ্চয়ই এমন আচরণ হয়েছিল। মহানবী মুহাম্মদ তাদের সাথে পাল্টা আচরণ কেমন করেছিলেন? প্রেম আর ভালবাসা দিয়ে তাদের জয় করেছিলেন? নাকি তাদের খুন করিয়েছেন?কোরআন, হাদিস, এবং অন্যান্য ইসলামি ইতিহাসে মহানবী আসলে তার সমালোচকদের, তাকে কটাক্ষকারীদের সাথে কী আচরণ করেছিলেন, তা খুঁজে দেখতে গিয়ে বেশ কিছু অপকর্মের দেখা মিলে  যাতে ভিন্ন এক মুহাম্মদকে আবিষ্কার করলাম। মহানবী মুহাম্মদের  অপকর্ম   গুলো নিয়ে আমার এই লিখা । লেখাটি অনেক বড় হবে। আশাকরি পাঠক মন দিয়ে পুরোটুকু পড়বেন।

যাহা নবী তাহা আল্লাহঃ

মোহাম্মদ ও আল্লাহ যে একই ব্যাক্তি তা পরিস্কার হয় নিচের আয়াত সমূহে:

যে কেউ আল্লাহ ও তার রসুলের আদেশ মত চলে তিনি তাকে জান্নাত সমূহে প্রবেশ করাবেন যেগুলোর তলা দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হবে। ০৪:১৩

যে কেউ আল্লাহ ও তার রসুলের অবাধ্যতা করে এবং তার সীমা অতিক্রম করে, তিনি তাকে আগুনে প্রবেশ করাবেন যেখানে সে চিরকাল থাকবে। তার জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি। ০৪: ১৪

উপরোক্ত আয়াত থেকে পরিষ্কার ভাবে বোঝা যাচ্ছে আল্লাহ ও তার রসুলের আদেশ সমার্থক। তার অর্থ আল্লাহ ও তার রসুল একই ব্যাক্তি। তাছাড়া

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুনাময় অতি দয়ালূ । ০১:০১

কথাগুলো আল্লার হলে, আল্লাহ নিজেই নিজের নামে শুরু করতেন না ।

আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি ও তোমার সাহায্য কামনা করি। ০১:০৫

কথাগুলো আল্লাহর হলে আল্লাহ নিজেই নিজের ইবাদত করবেন না।

এখানে প্রশ্ন আসে , কে শুরু করছে? কারা ইবাদত করে ? যদি ধরা হয় এগুলো মানুষকে লক্ষ্য করে বলা হচ্ছে তাহলে সঠিক বাক্যগুলো এরকম হলেই তা বরং আল্লাহর কথা হতো-

শুরু কর আমার( আল্লাহর) নামে, আমি পরম করুনাময়, অতি দয়ালূ।
তোমরা একমাত্র আমারই ইবাদত কর ও আমার সাহায্য কামনা কর।

কথা দিয়ে কথা না রাখা ঃ

হযরত মুহাম্মদ ছিলেন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী মিথ্যুক। কিন্তু খুব কৌশলে তিনি তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দায় আল্লাহর ওপর চাপিয়ে দিয়ে নিজের অপরাধকে আল্লাহর নির্দেশ বলে চালিয়ে দিয়েছিলেন। যার একদম সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায় সহি বুখারী হাদিসেই।

 সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
৯৩/ আহ্‌কাম
পরিচ্ছেদঃ ৯৩/৬. যে ব্যক্তি নেতৃত্ব চায়, তা তার উপরই ন্যস্ত করা হয়।
৭১৪৭. ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ হে ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ! নেতৃত্ব চেয়ে নিও না। কেননা, যদি চাওয়ার পর তোমাকে তা দেয়া হয়, তাহলে তার সকল দায়িত্বভার তোমার উপরই অর্পিত হবে। আর যদি না চাওয়া সত্ত্বেও তোমাকে তা দেয়া হয়, তাহলে এ ক্ষেত্রে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সহযোগিতা করা হবে। আর কোন বিষয়ে কসম করার পর তার বিপরীত দিকটিকে যদি উত্তম বলে মনে কর, তাহলে উত্তম কাজটিই করবে আর তোমার কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করে দিবে। [৬৬২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬২)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আব্দুর রহমান ইবন সামুরা (রাঃ 

এখানে বলা হচ্ছে, কোন বিষয়ে কেউ যদি প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু পরে যদি তার বিপরীতটি তার কাছে উত্তম মনে হয়, তাহলে প্রতিশ্রুতির কাফফারা দিয়ে বিপরীত কাজটিই করা যাবে। এতো সরাসরি মিথ্যাচার, এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা

দাসী ধর্ষণ করেছেন নবী

সুন্দরী নারীদের উপহার হিসেবে গ্রহণ করতেন নবী মুহাম্মদ। মারিয়া কিবতিয়া নামক একজন অত্যন্ত সুন্দরী এবং যুবতী নারীকে তিনি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন, এবং বিবাহ ছাড়াই তার গর্ভে ইব্রাহিম নামিক সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, মারিয়া কিবতিয়াকে দাসী হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। দাসীর কখনো কনসেন্ট বা সম্মতি বলে কিছু থাকে না। মারিয়া কিবতিয়া স্বেচ্ছায় নবীকে পছন্দ করে তার সাথে যৌনকর্ম করলে কারো কোন আপত্তি ছিল না, কিন্তু উপহার হিসেবে পাঠানো একজন দাসী তার ভালবাসার মানুষ পছন্দ করার মত অধিকার প্রাপ্ত নন। তাকে যার কাছে উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে, তার সাথেই তার যৌনকর্ম করতে হবে, অর্থাৎ সে যৌনকর্ম করতে বাধ্য। এটিও ধর্ষনের আওতাভুক্ত।

শিশু ধর্ষণ করেছেন নবী

একজন শিশুর কখনো সম্মতি বলে কিছু থাকে না। একজন শিশু যতদিন প্রাপ্তবয়ষ্ক হয়, যৌনতা সম্পর্কে বুঝতে এবং জ্ঞান লাভ করতে পারে, ভালমন্দ বিচার বিবেচনা করতে পারে, সেইসবের পুর্বে তাকে কোন অবস্থাতেই যৌনকাজে সম্পৃক্ত করা যায় না। কিন্তু নবী মুহাম্মদ ৯ বছর বয়সেই আয়িশার সাথে যৌনকর্ম করেছিল। এটিও পরিষ্কারভাবেই ধর্ষণের আওতাভুক্ত।

যুদ্ধবন্দী নারী ধর্ষণ করেছেন নবী

নবী মুহাম্মদ নিজে কাফেরদের হত্যা করে তাদের যুদ্ধবন্দী নারীদের মালামালের মতই ভাগাভাগি করে নিতেন, সাহাবীদেরও ভাগ করে দিতেন। তাদের সাথে যৌনকর্ম করতে উৎসাহ দিতেন। যুদ্ধবন্দী নারী কখনো স্বেচ্ছায় তার পিতা, স্বামী, ভাইয়ের হত্যাকারী বাহিনীর যোদ্ধাদের সাথে যৌনকর্ম করবে না। এটিও ধর্ষনের আওতার মধ্যে পড়ে।

বৈবাহিক ধর্ষণের বৈধতা দিয়েছেন নবী

একটি বিষয়ে স্মরণ রাখা জরুরি যে, বিবাহিত হওয়ার পরেও একজন মানুষ তার বৈবাহিক সঙ্গি দ্বারা ধর্ষণের শিকার হতে পারে। এই ধারণাটি আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের মধ্যে নেই। কিন্তু উন্নত ও সভ্য দেশগুলোতে স্বামী বা স্ত্রীও যদি ধর্ষণের অভিযোগ করেন, অর্থাৎ তার অসম্মতিতে জোরপুর্বক যৌনকর্মের অভিযোগ করেন, তাহলে সে বিষয়ে আইন ব্যবস্থা নেয়। একে বলা হয় বৈবাহিক ধর্ষণ। নবী মুহাম্মদ এই বিষয়টি পুরুষের জন্য বৈধ করে গেছেন। অর্থাৎ, একজন স্বামী চাহিদাই মূখ্য, স্ত্রীর চাহিদা কোন গুরুত্ব পাবে না।

নারীবিদ্বেষী ছিলেন নবী

কামুক স্বভাবের মুহাম্মদ ছিলেন প্রচণ্ড মাত্রায় একজন নারী বিদ্বেষী মানুষ। নারী সম্পর্কে অত্যন্ত নোংরা এবং বাজে মন মানসিকতা পোষণ করতেন নবী। সেই বিষয়গুলো এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে

গ্রন্থের নামঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
হাদিস নম্বরঃ [3512]
অধ্যায়ঃ ১৮/ দুধপান
পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পরিচ্ছদঃ ৯. মহিলাদের সম্পর্কে ওসিয়ত
৩৫১২। মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবন নুমায়র আল-হামদানী (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুনিয়া উপভোগের উপকরণ (ভোগ্যপণ্য) এবং দুনিয়ার উত্তম উপভোগ্য উপকরণ পুণ্যবতী নারী।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থের নামঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
হাদিস নম্বরঃ [3330]
অধ্যায়ঃ ৬০/ আম্বিয়া কিরাম (‘আঃ)
পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
পরিচ্ছদঃ ৬০/১ক. আল্লাহ তা‘আলার বাণী।
৩৩৩০. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একইভাবে বর্ণিত আছে। অর্থাৎ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বনী ইসরাঈল যদি না হত তবে গোশত দুর্গন্ধময় হতো না। আর যদি হাওয়া (আঃ) না হতেন তাহলে কোন নারীই স্বামীর খিয়ানত করত না।
* (৫১৮৪, ৫১৮৬) (মুসলিম ১৭/১৯ হাঃ ১৪৭০, আহমাদ ৮০৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৯২)
* বনী ইসরাঈল আল্লাহ তা’আলার নিকট থেকে সালওয়া নামক পাখীর গোশত খাওয়ার জন্য অবারিতভাবে পেত। ‎তা সত্ত্বেও তা জমা করে রাখার ফলে গোশত পচনের সূচনা হয়। আর মাতা হাওয়া নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণে আদম ‎‎(‘আঃ)-কে প্রভাবিত করেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

পরিচ্ছদঃ ৭৬/৪৩. পশু-পাখি তাড়িয়ে শুভ-অশুভ নির্ণয়।
৫৭৫৩. ইবনু ‘উমার হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ছোঁয়াচে ও শুভ-অশুভ বলতে কিছু নেই। অমঙ্গল তিন বস্তুর মধ্যে স্ত্রীলোক, গৃহ ও পশুতে।[1] [২০৯৯; মুসলিম ৩৯/৩৪, হাঃ ২২২৫, আহমাদ ৪৫৪৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২২৯)
[1] কোন কোন স্ত্রীলোক স্বামীর অবাধ্য হয়। আবার কেউ হয় সন্তানহীনা। কোন গৃহে দুষ্ট জ্বিনের উপদ্রব দেখা যা, আবার কোন গৃহ প্রতিবেশীর অত্যাচারের কারণে অশান্তিময় হয়ে উঠে। গৃহে সলাত আদায় ও যিকর-আযকারের মাধ্যমে জ্বিনের অমঙ্গল থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কোন কোন পশু অবাধ্য বেয়াড়া হয়।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

সমকামী বিদ্বেষী

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩৩/ অপরাধ ও তার শাস্তি
হাদিস নম্বরঃ ৪৪৬২
২৯. কেউ কওমে লূতের অনুরূপ অপকর্ম করলে
৪৪৬২। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কাউকে যদি লূত গোত্রের মতই কুর্কমে লিপ্ত দেখতে পাও তাহলে কর্তা ও যার সঙ্গে করা হয়েছে তাদের উভয়কে হত্যা করো।[1]
হাসান সহীহ।
[1]. তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, আহমাদ, হাকিম। ইমাম হাকিম ও যাহাবী বলেনঃ হাদীস সহীহ। হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩৩/ অপরাধ ও তার শাস্তি
হাদিস নম্বরঃ ৪৪৬৩
২৯. কেউ কওমে লূতের অনুরূপ অপকর্ম করলে
৪৪৬৩। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, অবিবাহিতদের লাওয়াতাতে (পায়ুকামে) লিপ্ত পাওয়া গেলে রজম করা হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আসিম (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীস আমর ইবনু আবূ আমরের হাদীসকে দুর্বল প্রমাণিত করে।[1]
সনদ সহীহ মাওকুফ।
[1]. বায়হাক্বী। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১৪/ হদ্দ (দন্ড)
হাদিস নম্বরঃ ২৫৬১
১৪/১২. যে ব্যক্তি লূত জাতির অনুরূপ অপকর্মে লিপ্ত হয়
১/২৫৬১। ইবনে আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা কাউকে লূত জাতির অনুরূপ অপকর্মে লিপ্ত পেলে তাকে এবং যার সাথে তা করা হয় তাকে হত্যা করো।
তিরমিযী ১৪৫৬, আবূ দাউদ ৪৪৬২, বায়হাকী ফিস সুনান ৮/২৩২, ইরওয়া ২৩৫০, মিশকাত ৩৫৭৫। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল আযীয বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সা’দ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মালিক বিন আনাস তাকে সিকাহ বলেছেন। আহমাদ বিন শু’আয়ব আন নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে নিজ কিতাব ছাড়া অন্যত্র থেকে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪৭০, ১৮/১৮৭ নং পৃষ্ঠা)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

সন্ত্রাসের মাধ্যমে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতেন নবী

গ্রন্থের নামঃ সূনান নাসাঈ (ইফাঃ)
হাদিস নম্বরঃ [3979]
অধ্যায়ঃ ৩৮/ হত্যা অবৈধ হওয়া
পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পরিচ্ছদঃ ১. মুসলিমকে হত্যা করার অবৈধতা
৩৯৭৯. ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ না বলা পর্যন্ত আমি লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। যদি তারা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলে, তবে আমার পক্ষ হতে তাদের জানমাল রক্ষা করে নেবে কিন্তু এর হক ব্যতীত। আর তাদের হিসাব আল্লাহর যিম্মায়।
তাহক্বীকঃ সহীহ।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থের নামঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
হাদিস নম্বরঃ [35]
অধ্যায়ঃ ১। ঈমান [বিশ্বাস]
পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
পরিচ্ছদঃ ৮.লোকেদের বিরুদ্ধে জিহাদের নির্দেশ যতক্ষণ না তারা স্বীকার করে যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল এবং সালাত কায়িম করে, যাকাত দেয়, নাবী যে শারীআতের বিধান এনেছেন তার প্রতি ঈমান আনে, যে ব্যক্তি এসব করবে সে তার জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারীআত সম্মত কারণ ব্যতীত, তার অন্তরের খবর আল্লাহর কাছে; যে ব্যক্তি যাকাত দিতে ও ইসলামের অন্যান্য বিধান পালন করতে অস্বীকার করে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার এবং ইসলামের বৈশিষ্ট্যসমূহ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ইমামের গুরুত্বারোপ করার নির্দেশ।
৩৫-(৩৫/…) আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ….. জাবির (রাযিঃ), আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) ও আবূ সালিহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, লোকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি। বাকী অংশ আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে ইবনুল মুসাইয়্যাব-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।
আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ….. জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই” এ কথার স্বীকৃতি না দেয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি। “আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই” এ কথা স্বীকার করলে তারা আমার থেকে তাদের জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারী’আত সম্মত কারণ ছাড়া। তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। তারপর তিনি আয়াতটি তিলাওয়াত করেনঃ “আপনি তো একজন উপদেশদাতা। আপনি এদের উপর কর্মনিয়ন্ত্রক নন”- (সূরাহ আল গা-শিয়াহ্ ৮৮ঃ ২১-২২)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫, ইসলামিক সেন্টারঃ ৩৫-৩৬)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থের নামঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
হাদিস নম্বরঃ [3929]
অধ্যায়ঃ ৩০/ কলহ-বিপর্যয়
পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
পরিচ্ছদঃ ৩০/১. যে ব্যক্তি ‘‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ’’ বলে, তার উপর হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকা
৩/৩৯২৯। আওস (রাঃ) বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি আমাদেরকে (অতীতের) ঘটনাবলী উল্লেখপূর্বক উপদেশ দিচ্ছিলেন। ইত্যবসরে এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁর সাথে একান্তে কিছু বললো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তাকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করো। লোকটি ফিরে গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, ‘‘আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই’’? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ যাও, তোমরা তাকে তার পথে ছেড়ে দাও। কারণ লোকেরা ‘‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’’ না বলা পর্যন্ত আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা তাই করলে তাদের জান-মালে হস্তক্ষেপ আমার জন্য হারাম হয়ে গেলো।
নাসায়ী ৩৯৭৯, ৩৯৮২, ৩৯৮৩, আহমাদ ১৫৭২৭, দারেমী ২৪৪৬। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

লুটপাটের মাধ্যমে ধনী হয়েছিলেন নবী

নবী মুহাম্মদ ছিলেন নিঃস্ব, যিনি ভেড়া আর উট চড়াতেন। তার কোন পেশাও ছিল না। ১১ জন বিবি লালন পালন এবং একটি হেরেমখানা ভর্তি দাসী বাঁদীর খরচা চালাবার মত ব্যবসা বাণিজ্য কিংবা কোন আয় উপার্জনের বন্দোবস্তোও নবীর ছিল না। নবীর আয়ের প্রধান উৎস ছিল কাফেরদের আক্রমণ করে তাদের মালামাল লুট করে তার থেকে ভাগ নেয়া। অনেক মুমিনই আজকাল বলার চেষ্টা করেন, নবী খুবই দরিদ্র ছিল, এমনকি দুই বেলা খেতেও পেতেন না। প্রশ্ন হচ্ছে, এত দরিদ্র নবী তাহলে গণ্ডায় গণ্ডায় বিয়ে করতেন, দাসীও রাখতেন, হেরেমে রক্ষিতা ভর্তি করতেন, এত নারীর চালাবার জন্য অর্থ কী আসমান থেকে নাজিল হতো, নাকি কাফেরদের কতল করে তাদের বিষয় সম্পত্তি লুটের মাল থেকে? কোরআনেই বলা আছে,

তিনি আপনাকে পেয়েছেন নিঃস্ব, অতঃপর অভাবমুক্ত করেছেন। কোরআন ৯৩ঃ৮

লুটের মালের ২০% ভাগ নিতেন নবী

সূরা আনফাল অর্থ হচ্ছে, যুদ্ধে লুট করা মাল। এই লুটের মাল নামক সূরাতে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, লুটের মালের এক পঞ্চমাংশ নেবে নবী মুহাম্মদ।

গ্রন্থের নামঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ)
পরিচ্ছেদঃ ৫৭/৭. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘নিশ্চয় এক পঞ্চমাংশ আল্লাহর ও রসূলের’’ (আনফাল ৪১)। তা বণ্টনের অধিকার রসূলেরই। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি বণ্টনকারী ও সংরক্ষণকারী আর আল্লাহ তা‘আলাই প্রদান করেন।
৩১১৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমি তোমাদের দানও করি না এবং তোমাদের বঞ্চিতও করি না। আমি তো মাত্র বণ্টনকারী, যেভাবে নির্দেশিত হই, সেভাবে ব্যয় করি।’ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৯৪)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

জোরপূর্বক ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করতেন নবী

পাবলিশারঃ আল্লামা আলবানী একাডেমী
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১৪/ কর, ফাই ও প্রশাসক
হাদিস নাম্বার: 3003
৩০০৩। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমরা মাসজিদে উপস্থিত ছিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে বেরিয়ে এসে বললেনঃ ইয়াহুদীদের এলাকায় চলো। ‘আমরা তাঁর সাথে বের য়ে সেখানে গিয়ে পৌঁছলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে তাদেরকে ডেকে বললেনঃ হে ইয়াহুদী সম্প্রদায়! তোমরা ইসলাম কবূল করো শান্তিতে থাকবে। তারা বললো, হে আবুল কাসিম! আপনি পৌঁছে দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে আবার বললেনঃ তোমরা ইসলাম কবূল করো, নিরাপত্তা পাবে। তারা বললো, হে আবুল কাসিম! আপনি পৌঁছে দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বললেনঃ এ দাওয়াত পৌঁছে দেয়াই আমার উদ্দেশ্য ছিলো। তৃতীয় বারও তিনি একই কথার পুনরাবৃত্তি করে বললেনঃ জেনে রাখো! এ ভুখন্ডের মালিকানা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের। আমি তোমাদের এ ভূখন্ড থেকে বিতাড়িত করতে চাই। সুতরাং তোমরা কোনো জিনিস বিক্রি করতে সক্ষম হলে বিক্রি করো। অন্যথায় জেনে রাখো! এ ভূখন্ডের মালিক আল্লাহ ও তাঁর রাসূল।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

প্তঘাতক পাঠিয়ে হত্যা

রাতের অন্ধকারে খুনী পাঠিয়ে মানুষ হত্যা করাতেন নবী।

গ্রন্থের নামঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
হাদিস নম্বরঃ [3032]
অধ্যায়ঃ ৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার
পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
পরিচ্ছদঃ ৫৬/১৫৯. হারবীকে গোপনে হত্যা করা।
৩০৩২. জাবির (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কা’ব ইবনু আশরাফকে হত্যা করার দায়িত্ব কে নিবে?’ তখন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, ‘আপনি কি পছন্দ করেন যে, আমি তাকে হত্যা করি?’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, ‘তবে আমাকে অনুমতি দিন, আমি যেন তাকে কিছু বলি।’ তিনি বললেন, ‘আমি অনুমতি দিলাম।’ (২৫১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮১৭)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থের নামঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
হাদিস নম্বরঃ [2820]
অধ্যায়ঃ ৪৮/ জিহাদ
পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পরিচ্ছদঃ ১৯০০. হারবীকে গোপনে হত্যা করা
২৮২০। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) … জাবির (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কাব’ ইবনু আশরাফকে হত্যা করার দায়িত্ব কে নিবে? তখন মুহাম্মদ ইবনু মাসলামা (রাঃ) বললেন, ‘আপনি কি এ পছন্দ করেন যে, আমি তাকে হত্যা করি?’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। মুহাম্মদ ইবনু মাসলামা (রাঃ) বললেন, ‘তবে আমাকে অনুমতি দিন, আমি যেন তাকে কিছু বলি।’ তিনি বললেন, ‘আমি অনুমতি প্রদান করলাম।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গণহত্যাকারী ছিলেন নবী

গ্রন্থের নামঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১৪/ কর, ফাই ও প্রশাসক
পরিচ্ছেদঃ ২৩. বনূ নাযীরের ঘটনা প্রসঙ্গে
৩০০৫। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। বনূ কুরাইযা ও বনূ নাযীর ইয়াহুদী গোত্রদ্বয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনূ নাযীরকে উচ্ছেদ করলেন এবং বনূ কুরাইযার প্রতি অনুগ্রহ করে তাদেরকে উচ্ছেদ করেননি। অতঃপর বনূ কুরাইযা সংঘর্ষে অবতীর্ণ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে হত্যা করলেন এবং তাদের স্ত্রী লোক, সন্তানাদি ও সম্পদ মুসলিমদের মাঝে বণ্টন করলেন। কিন্তু তাদের কিছু লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মিলিত হলে তিনি তাদেরকে নিরাপত্তা দিলেন এবং তারা ইসলাম কবূল করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় বসবাসকারী সমস্ত ইয়াহুদী গোত্রকে উচ্ছেদ করলেন। যেমন মদীনায় বসবাসকারী অন্যান্য ইয়াহুদীদেরকে তিনি মদীনাহ্ থেকে বিতাড়িত করেন।[1]
[1]. সহীহ।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ)

ধর্মত্যাগীদের হত্যা করতেন নবী

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير)
হাদিস নম্বরঃ ৩০১৭
৫৬/১৪৯. আল্লাহ্ তা‘আলার শাস্তি দিয়ে কাউকে শাস্তি দেয়া যাবে না।
৩০১৭. ইকরামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আলী (রাঃ) এক সম্প্রদায়কে আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন। এ সংবাদ ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আববাস (রাঃ)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, ‘যদি আমি হতাম, তবে আমি তাদেরকে জ্বালিয়ে ফেলতাম না। কেননা, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা আল্লাহর আযাব দ্বারা কাউকে আযাব দিবে না। বরং আমি তাদেরকে হত্যা করতাম। যেমন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে লোক তার দ্বীন বদলে ফেলে, তাকে হত্যা করে ফেল।’ (৬৯২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮০৫)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ২৯। কাসামাহ্ (খুন অস্বীকার করলে হলফ নেয়া), মুহারিবীন (লড়াই), কিসাস (খুনের বদলা) এবং দিয়াত (খুনের শাস্তি স্বরূপ জরিমানা)
হাদিস নম্বরঃ ৪২৬৭


 মুসলিম ব্যক্তির হত্যা কি অবস্থায় বৈধ
৪২৬৭-(২৫/১৬৭৬) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ….. ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন মুসলিমকে হত্যা করা বৈধ নয়, যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল। কিন্তু তিনটি কাজের যে কোন একটি করলে (তা বৈধ)।
১. বিবাহিত ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হলে; ২. জীবনের বিনিময়ে জীবন, অর্থাৎ কাউকে হত্যা করলে; ৩. এবং স্বীয় ধর্ম পরিত্যাগকারী, যে (মুসলিমদের) দল থেকে বিচ্ছিন্ন (মুরতাদ) হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২২৮, ইসলামিক সেন্টার ৪২২৮)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

সেই ১৪০০ বছর আগে মানুষ বিশ্বাস করত মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি বিবেক আবেগ ভালবাসা এসব হৃৎপিন্ডে থাকে। আমরা নিজেরা এখনও সেই হাজার হাজার বছরের সংস্কার অনুযায়ী বলে থাকি- তোমার হৃদয়ে ভালবাসা নেই।কিন্তু ভালবাসা কি হৃদয়ে থাকে ? হৃদয় বা হৃৎপিন্ড সে তো একটা রক্তের পাম্প মেশিন ছাড়া আর কিছুই নয়।ভালবাসা বলি আর জ্ঞান বলি তা তো থাকে আমাদের মস্তিষ্কে। মোহাম্মদও অকাতরে সেই সরল স্বীকারোক্তিটা করেছেন। কিন্তু নিজেকে সাহাবীদের কাছে অধিকতর গ্রহনযোগ্য ও ঐশি হিসাবে প্রমান করতে এই আজগুবি কিচ্ছা অত্যন্ত সুন্দর করে সাজিয়েছেন। আল্লাহর পেয়ারা নবী সর্বশ্রেষ্ট মানুষ, আল আমীন বলে কথিত মোহাম্মদের এ কিচ্ছা ও কাহিনী কি প্রমান করে তিনি সত্যি আল আমীন বা সত্যবাদী? ব্যক্তিগত ভাবে কেউ যদি অন্যের গচ্ছিত সম্পদ যত্ন করে রেখে আবার ফিরিয়ে দেয় অথচ আদর্শিক ভাবে মিথ্যা ধ্যান ধারনা পোষণ করে আর তা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে, তাকে কি সৎ লোক বলা যায়? সততার সংজ্ঞা কি এত সহজ ও সরল? মোহাম্মদের যে ধরনের সততার কথা আমরা শুনি, বাস্তবে ও ধরনের সৎ লোক এই কঠিন দুনিয়াতে ভুরি ভুরি দেখতে পাওয়া যায়। নইলে এক রিক্সাওয়ালা কিভাবে যাত্রীর ফেলে যাওয়া টাকা ভর্তি মানি ব্যাগ পুলিশের কাছে জমা দিয়ে আসে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *