লিখেছেন শাহরিয়ার এমডি নাফিস খান at 07:09 PM on 15 November 2024
আওয়ামী পতনের পরপরই যখন উগ্র ইসলাম-পন্থী দলগুলো সদলবলে বেরিয়ে এলো এবং উগ্র মৌলবাদীরা যা করে, তা করা শুরু করলো, বিএনপির সেক্রেটারী জেনারেল তখন বললেন যে বাংলাদেশে মৌলবাদীতার স্থান নেই বা মৌলবাদ ফিরে আসবেনা। তার এই বক্তব্যের পরপরই বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো চড়া স্বরে এবং কড়া ভাষায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ওপেন চ্যালেঞ্জ করে। তাদের সামষ্টিক বক্তব্য – বাংলাদেশ মুসলিম-প্রধাণ রাষ্ট্র, এটিকে ইসলামিক রাষ্ট্র করাটা বা করতে চাওয়াটা মৌলবাদীতা নয়, বা তা হলেও, সেটাই হওয়া উচিৎ।
আমি ভেবেছি সেকুল্যার বাংলাদেশ পাওয়ার জন্যে জুলাই বিপ্লব হয়েছে এবং প্রগতিশীল বাংলাদেশ পাওয়া যাবে। কিন্তু ইসলামী উগ্রবাদ যেভাবে বাংলাদেশের দখলদারিত্ব নিচ্ছে, সেটা জাতীয়তাবাদী শক্তির জন্যে অশনি সংকেত বহন করে বলে মনে করি। এক্ষেত্রে বিএনপির ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা দেয়া, এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহ দেয়াটা আসলে এই উগ্রবাদের বীজ বপন করেছে বলে মনে করা যেতে পারে। বিএনপির নেত্তৃত্ব যদি ইসলামী জঙ্গীবাদকে রুখে দিতে না পারে সেকুল্যার বাংলাদেশের মাধ্যমে, সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে, তাহলে আসলে বিএনপির পতন ঠেকানো কঠিন হবে এবং বাংলাদেশ ইসলামীয় মৌলবাদের নির্মম শিকারে পরিণত হবে।